নিহতরা হলেন শাহিনুর বেগম (৩৮), তার বড় মেয়ে সায়মা আক্তার (২১) এবং ছোট মেয়ে শিফা আক্তার (৯)। গুরুতর আহত ইকরা আক্তার (১৭) বর্তমানে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েক বছর ধরে শাহিনুর বেগম তার সন্তানদের নিয়ে ওই এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন। পরিবারের কর্তা কয়েক বছর আগে মারা যাওয়ার পর সন্তানদের নিয়ে তিনি সেখানে বসবাস করতেন।
ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয়রা জড়ো হলে এক যুবককে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে গণপিটুনি দেওয়া হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠায়। তার পরিচয় ও ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।
রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের হাসপাতালে নেওয়া হলে তিনজনকে মৃত ঘোষণা করা হয়। আহত একজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত শুরু হয়েছে। মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে রাখা হয়েছে।
এদিকে ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করে। এ সময় কিছু পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন