ভোলায় ৪০০ মেগাওয়াটসম্পন্ন গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সার কারখানা স্থাপনে সরকারের নানা পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেছেন বরিশাল বিভাগের বিভাগীয় প্রশাসন প্রধান খলিল আহমেদ।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ভোলায় প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহার প্রসঙ্গে গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা তুলে ধরেন।
খলিল আহমেদ বলেন, ভোলা জেলা নিয়ে সরকারের নানা পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে পাইপলাইনের প্রক্রিয়া চলবে। শাহবাজ থেকে শুরু করে ইতোমধ্যেই একটি পাইপ আনা হচ্ছে, সেটি আরও বর্ধিত করে ভোলায় আনা হবে। ভোলা থেকে পটুয়াখালী ইপিজেডসহ খুলনা বা অন্যান্য অঞ্চলের দিকে চলে যাবে সে প্রচেষ্টা আমাদের রয়েছে।
প্রসঙ্গত, দেশের দক্ষিণের দ্বীপ জেলা ভোলা। মেঘনার বুকে জেগে থাকা এই জনপদের মাটির নিচে থাকা গ্যাস দেশের জ্বালানি ভবিষ্যৎ বদলে দিতে পারে। গত তিন দশকে ভোলায় যেখানে খনন করা হয়েছে, প্রায় সেখানেই মিলেছে প্রাকৃতিক গ্যাস। অথচ বিপুল এই সম্পদের পুরোটা এখনো কাজে লাগানো সম্ভব হয়নি।
দ্বীপ জেলা ভোলায় তিনটি গ্যাসক্ষেত্রে রয়েছে ৯টি কূপ। সম্প্রতি নতুন করে আরও ১০টি কূপ খননের কাজ শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে বিভাগীয় প্রশাসন। এসব কূপে গ্যাসের সন্ধান মিললে জেলায় দৈনিক ৩৮২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলনের সম্ভাবনা তৈরি হবে। তবে এত সম্ভাবনা থাকলেও গ্যাসের বড় অংশই যেন রয়ে যাচ্ছে মাটির নিচে।
১৯৯৫ সালে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি (বাপেক্স) ভোলার বোরহানউদ্দিনে শাহবাজপুর গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। ২০০৯ সাল থেকে সেখানে শুরু হয় বাণিজ্যিক উৎপাদন। এরপর ২০১৮ সালে ভোলা নর্থ গ্যাসক্ষেত্র এবং ২০২৩ সালে সদর উপজেলার ইলিশায় দেশের ২৯তম গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান পায় বাপেক্স।
মন্তব্য করুন