শনিবার (২০ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, “মোট ১৫ থেকে ১৭টি সমঝোতা ও চুক্তি সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর মধ্যে ১৩টি এমওইউ, ২টি চুক্তি, একটি অ্যাকশন প্ল্যান এবং একটি প্রটোকল নোট অন্তর্ভুক্ত থাকবে।”
সফরে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের চারটি বৈশ্বিক উদ্যোগে (Global Initiatives) বাংলাদেশের যুক্ত হওয়ার বিষয়টি নিয়েও আলোচনা হবে বলে জানান তিনি। তবে বাংলাদেশ কোন উদ্যোগে যুক্ত হবে কি না, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সফর শেষে জানানো হবে বলে উল্লেখ করেন পররাষ্ট্রসচিব।
এ সফরে সমন্বিত নদী ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা হবে, যেখানে তিস্তা মহাপরিকল্পনাও অন্তর্ভুক্ত থাকবে বলে জানান তিনি। তবে এ বিষয়ে কোনো আলাদা চুক্তি সই হচ্ছে না।
পররাষ্ট্রসচিব আরও জানান, চীনের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা ও বিনিয়োগ নিয়েও আলোচনা হবে। চীনা বেসরকারি খাতের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক এবং বিনিয়োগ ফোরামে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী।
সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী ২৩ থেকে ২৪ জুন পর্যন্ত দালিয়ানে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (WEF) ‘সামার ডাভোস’ সম্মেলনে অংশ নেবেন। এরপর ২৫ জুন বেইজিংয়ে চীনা প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন এবং সেদিনই চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হবে।
২৬ জুন সকালে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক শেষে সফর শেষ করে দেশে ফিরবেন প্রধানমন্ত্রী।
মন্তব্য করুন