মো. সবুজ: ভোলায় তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে মাদ্রাসা শিক্ষক ও তার স্ত্রীসহ চারজনকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আহত গুরুতর আহত ৩ জনকে উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে ভোলা সদর উপজেলার ভেলুমিয়া ইউনিয়নের চন্দ্রপ্রসাদ গ্রামের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে দারুম উলুম রহিমিয়া ইসলামি কমপ্লেক্স মাদ্রাসার সামনে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন—মাদ্রাসার মুহতামিম বেলাল হোসাইন, তার স্ত্রী ও একই মাদ্রাসার শিক্ষিকা তানিয়া বেগম (২৮), মাদ্রাসার শিক্ষক ফারদিন মৃধা (২৪) এবং স্থানীয় মুসল্লি সফিউদ্দিন মাল (৪০)। সফিউদ্দিন মাল চন্দ্রপ্রসাদ গ্রামের মৃত সাদেক মালের ছেলে এবং ফারদিন মৃধা একই এলাকার নরুল হক মৃধার ছেলে।
অপরদিকে অভিযুক্তরা হলেন, একই এলাকার বাসিন্দা গনি হাওলাদার (৭০) ও তার ছেলে রাকিব হাওলাদার (২৬)।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন সকালে বেলাল হোসাইন মাদ্রাসার পাশে চাষ করা সবজির বাগান পরিচর্যার জন্য পাশের জমি থেকে কিছু মাটি এনে দেন। এতে অভিযুক্তরা তাদের জমি থেকে মাটি নেওয়ার অভিযোগ তুলে বেলাল হোসাইনকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করেন। এ সময় স্থানীয় মুসল্লি সফিউদ্দিন মাল গালমন্দ করতে নিষেধ করলে প্রথমে তাকে মারধর করেন। পরে অভিযুক্ত গনি হাওলাদার, তার ছেলে রাকিবসহ কয়েকজন মিলে শিক্ষক বেলাল হোসাইন, তার স্ত্রী ও মাদ্রাসায় থাকা অপর এক শিক্ষককে মারধর করেন। এতে চারজন আহত হন।
পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসক ৩ জনকে ভর্তি রাখেন। বর্তমানে তারা ভোলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
আহত বেলাল হোসাইন জানান, সবজি বাগান পরিচর্যার জন্য পাশে থাকা আমার ভাইয়ের জমি থেকে মাটি এনে দেই। কিন্তু তারা মনে করেছ
তাদের জমি থেকে মাটি কেটেছি। তারা আমার কোন কথা না শুনে ক্ষিপ্ত হয়ে মাদ্রাসার শিক্ষক ও আমার স্ত্রী এবং আমরা উপর হামলা করে। এতে আমরা ৩ জন গুরুতর আহত হই। এসময় তিনি এঘটনার উপযুক্ত বিচারের দাবী জানান।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত গনি হাওলাদার জানান, তুচ্ছ বিষয় নিয়ে একটু হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। আগামীকাল স্থানীয়ভাবে ফয়সালা হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানেই বিষয়টি মিমাংস করা হবে।
মন্তব্য করুন