আজকের Channel Bhola সংবাদ
Channelbhola
প্রকাশ : Sep 23, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

গর্ভাবস্থায় ডেঙ্গু জ্বর হলে যা করবেন

 

Brother IT Digital

গর্ভাবস্থায় জ্বর মানেই বাড়তি সতর্কতা। বিশেষ করে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলে ঝুঁকি শুধু মায়ের নয়, অনাগত শিশুর জন্যও তৈরি হতে পারে। জ্বর কমে যাওয়ার পরের সময়টিই হয়ে উঠতে পারে সবচেয়ে বিপজ্জনক।

তাই গর্ভবতী নারীর ডেঙ্গু শনাক্ত হলে শুরু থেকেই চিকিৎসকের নিবিড় পর্যবেক্ষণে থাকা জরুরি বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

তারা বলছেন, অন্তঃসত্ত্বা নারী ঝুঁকিপূর্ণ জনসংখ্যার অন্তর্ভুক্ত। কারণ একজন নারী যখন অন্তঃসত্ত্বা হন, তখন তার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। এ সময় তিনি সব ধরনের রোগের ঝুঁকিতে থাকেন।

গাইনি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অন্তঃসত্ত্বা নারীদের উচিত জ্বর হলেই চিকিৎসকের কাছে যাওয়া। ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই রক্তের সিবিসি করানো। এই জ্বরে প্যারাসিটামল ছাড়া অন্য কোনো ওষুধ খাওয়া যাবে না। প্লাটিলেট কমে গেলে হাসপাতালে ভর্তি হতে হবে। এছাড়া জ্বরের শুরুতে একবার এবং চারদিন পর দুই দফায় ডেঙ্গু পরীক্ষা করাতে হবে।

ডেঙ্গু জ্বরের কিছু উপসর্গ আছে, সেগুলো অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। যেমন- প্রসাব কমে যাওয়া, দুর্বল লাগা, পেট ব্যথা, অতিরিক্ত বমি-শরীরের চামড়ায় বা মুখে র‌্যাশ বা মেস্তা জাতীয় লাল ছোপ হতে পারে। এসব ক্ষেত্রে অবশ্যই হাসপাতালে ভর্তি হতে হবে। জ্বর কমে যাওয়ার সময়টা সবচেয়ে ভয়ের। এই সময়টা চিকিৎসকের পরামর্শে থাকতে হবে।

এ বিষয়ে প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ এবং আজিমপুর মাতৃসদন ও শিশু স্বাস্থ্য প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের সাবেক পরিচালক ডা. নাহিদা নাজনীন বলেন, গর্ভাবস্থায় ডেঙ্গুর সবচেয়ে বড় ভয় ব্লিডিং। তাই এ সময় ডেলিভারিতে-নরমাল বা সিজার-দুই ক্ষেত্রেই বাড়তি সতর্কতা নিতে হবে। বিশেষ করে রোগী যদি ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়, তাহলে তার জন্য একাধিক ব্লাড ডোনার প্রস্তুত রাখতে হবে। ডেলিভারির (প্রসব) পরপরই নবজাতককে মনিটর করতে হবে (শিশু বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে)।

তিনি বলেন, ডেলিভারির পর প্রচুর রক্তপাত হতে পারে। তাই খুব বাধ্য না হলে অন্তঃসত্ত্বা ডেঙ্গু রোগীকে কোনভাবেই অপারেশন বা ব্যাথার ওষুধ দিয়ে ডেলিভারি করানো যাবে না।

করণীয় বিষয়ে তিনি বলেন, দৈনিক ৩-৪ লিটার তরল খাবার (ডাবের পানি, খাবার স্যালাইন, ফলের রস, স্যুপ) পান করতে হবে। রোগীকে সম্পূর্ণ বেড রেস্টে থাকতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনোভাবেই প্যারাসিটামল ব্যতীত অন্য কোনো ব্যথানাশক ওষুধ খাওয়া যাবে না। চিকিৎসকের নির্দেশ মতো নিয়মিত প্লাটিলেট কাউন্ট (সিবিসি) এবং আল্ট্রাসনোগ্রাম করতে হবে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. মুশতাক হোসেন বলেন, অন্তঃসত্ত্বা নারী ঝুঁকিপূর্ণ জনসংখ্যার অন্তর্ভুক্ত। কারণ একজন নারী যখন অন্তঃসত্ত্বা হন, তখন তার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। এ সময় তিনি সব ধরনের রোগের ঝুঁকিতে থাকেন।                    


 

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

৫২৭ কোটি টাকার স্থায়ী বাঁধে দেড় মাসেই ধস

1

টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক: তদন্তে বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠনের নির্

2

সরকারি চাকরিতে বাড়ছে মৌখিকের নম্বর

3

প্রথম স্ত্রীর বাড়ি যাওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলেন দ্বিতীয় স

4

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ১৮০, মৃত্যু নেই

5

খামেনিকে হত্যার নিন্দা জানাল বাংলাদেশ

6

পদত্যাগের ৯০ দিনের মধ্যেই নির্বাচিত হবেন নতুন রাষ্ট্রপতি: স্

7

শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল বক্তব্যের সাথে ভারতের সম্পৃক্ততা নেই:

8

কাঁচামরিচের দামের ঝালে পুড়ছে সাধারণ ক্রেতা

9

আগে রিকশায় চড়তেন, এখন প্রাডো গাড়িতে চড়ে জুলাই চেতনা বেচেন: ব

10

রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় আহত ও নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় প্রকা

11

সরকারি গাড়ি নেননি ১৫ জন প্রতিমন্ত্রী-উপদেষ্টা, সাশ্রয় হবে

12

পুলিশ ও আসামির গায়ে একই শার্ট, কারণ জানালেন সেই কর্মকর্তা

13

ধর্মের লেবাসধারীরা দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে: চিফ হু

14

বোরহানউদ্দিনে গাঁজা সহ জয়নাল পাটোয়ারী আটক

15

এনসিপির গাড়ি থেকে ৫ লাখ টাকা ও যন্ত্রপাতি লুটের অভিযোগ

16

বিশ্বকাপ ফাইনালের গড় টিকিটের দাম প্রায় ১৪ লাখ টাকা

17

জামায়াত আমিরের ‘মেয়াদোত্তীর্ণ মেয়র’ মন্তব্যের জবাব দিলেন শাহ

18

ডেঙ্গু মোকাবিলায় ৫ লাখ টেস্ট কিট দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র: স্বাস্

19

গিটারকে হেলমেটবিহীন যাত্রী ভেবে ৫০০ টাকা জরিমানা করল এআই ক্য

20