আহমেদ আযম খান বলেন, সরকারি স্কুলের শিক্ষকেরা নিয়মিত বেতন, পেনশন ও গ্র্যাচুইটির মতো সুবিধা পেলেও অনেক মাদ্রাসার শিক্ষক সেই সুযোগ পান না। এরপরও তারা শিক্ষাদান চালিয়ে যাচ্ছেন এবং শিক্ষার্থীদের ভালো ফল অর্জনে ভূমিকা রাখছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, অনেক মাদ্রাসা শিক্ষক এটিকে
শুধু পেশা নয়, দায়িত্ব ও নৈতিক অঙ্গীকার হিসেবেও দেখেন। সরকারি বেতনের
বাইরে বিভিন্ন উৎস থেকে পাওয়া সীমিত আয়ে তারা জীবনযাপন করেন এবং
শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা চালিয়ে যান।
তিনি আরও দাবি করেন, বর্তমানে দেশের সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে মাদ্রাসা থেকে আসা শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি। একই সঙ্গে কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষার্থীরাও উচ্চশিক্ষায় ভালো অবস্থান তৈরি করছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, আপনাদের সংখ্যা যদি বলতে চাই যে, ফ্রি প্রাইমারিতে শিক্ষার্থীরা কী শিখেছে। তারা ওপরে ওঠে কয়জন বিশ্ববিদ্যালয়ের দরজায় ঢুকতে পেরেছে। সেটা অত্যন্ত লজ্জাজনক।
তিনি বলেন, প্রত্যকটা মাদ্রাসার শিক্ষক মনে করে তারা পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করে। তারা মনে করে উচিত শিক্ষা দেওয়া তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য। এটা আমানত মনে করে সরকারের বেতন ছাড়াই নানাভাবে যে সহযোগিতা পায়, সেখান থেকেই তারা সামান্য কিছু বেতন পায়। বিভিন্ন জায়গায় কুরআন শিক্ষা দেয়, ওখান থেকে কিছু পায়। অনেক টেনেটুনে তাদের সংসার চলে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আশরাফুল আলমের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মাসুদুর রহমানের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন- বিশিষ্ট সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী বেগম নার্গিস সিদ্দিকা, বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি সখীপুর উপজেলা শাখার সভাপতি খুরশিদ জাহান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক টিটু, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি খোরশেদ আলম মাস্টার, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নাজিম উদ্দিন, সহ-সভাপতি আকবর হোসেন, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক কবির হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক সিকদার মোহাম্মদ সবুর রেজা প্রমুখ।
মন্তব্য করুন