বোরহানউদ্দিন প্রতিনিধি: ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় ৪ শতাংশ জমি বিক্রির জন্য বায়না চুক্তির একটি দলিল পাওয়া গেছে। দলিল অনুযায়ী, জমিটির মোট মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে ১০ লাখ টাকা বায়না হিসেবে পরিশোধ করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট পক্ষের দাবি। অবশিষ্ট ৫ লাখ টাকা পরিশোধের পর জমিটির বিক্রয় সম্পন্ন করার কথা রয়েছে।
‘জমি সাফ বিক্রির বায়না পত্র’ শিরোনামের ওই দলিলে গ্রহীতা হিসেবে মো. হোসেন এবং দাতা হিসেবে মো. তোফায়েল আহমাদ-এর নাম উল্লেখ রয়েছে। দলিলের তথ্য অনুযায়ী, ভোলা জেলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার কুতুবা এলাকার পলিটেকনিক্যাল কলেজের গেট সংলগ্ন রাস্তার দক্ষিণ পাশে জমিটির অবস্থান।
দলিলে উল্লেখ করা হয়েছে, সম্পত্তির অংশ হিসেবে ৪ শতাংশ জমি বায়না দেওয়া হয়েছে। জমিটির বিভিন্ন দাগ ও খতিয়ানের তথ্যও এতে উল্লেখ রয়েছে। দলিল অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট জমির দাগ নম্বরগুলোর মধ্যে রয়েছে ৪৬৩৩, ৪৬৩৪, ৪৬৩৮, ৪৬৪০, ৪৬৪১, ৪৬৪৫, ৪৬৪৬, ৪৬৫০, ৪৬৫৩, ৪৬৫৪ ও ৪৬৭৩।
এ ছাড়া দলিলে হাল বিএস ২৫১২ নম্বর খতিয়ানের বিএস দাগ ১০১৭৯ নম্বর এবং হাল বিএস ২৫১১ নম্বর খতিয়ানের বিএস দাগ ১০১৭৭ ও ১০১৬৭ নম্বর দাগের উল্লেখ রয়েছে। দলিলে খতিয়ানসংক্রান্ত অন্যান্য তথ্যও উল্লেখ করা হয়েছে।
সম্পত্তির চৌহদ্দি হিসেবে দলিলে উত্তরে রাস্তা, দক্ষিণে দাতার জমি, পূর্বে দাতা পক্ষের জমি এবং পশ্চিমে হাওলাদারদের জমি উল্লেখ রয়েছে।
এদিকে, জমিটি বিক্রির বিষয়টি জানিয়ে সংশ্লিষ্ট এলাকায় একটি সাইনবোর্ডও টানানো হয়েছে বলে জানা গেছে। এতে জমি বিক্রির বিষয়ে যোগাযোগের জন্য একটি মোবাইল নম্বর দেওয়া হয়েছে।
তবে জমিটির মালিকানা, দাগ-খতিয়ান, রেকর্ড এবং বায়না চুক্তিতে উল্লেখিত লেনদেনের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসের নথি ও অন্যান্য প্রমাণের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে ১০ লাখ টাকা বায়না হিসেবে পরিশোধের দাবিটিও সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য ও লেনদেনের প্রমাণের ভিত্তিতে নিশ্চিত হওয়া জরুরি।
জমিটি নিয়ে কারও কোনো দাবি, আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য দেওয়া হয়েছে— ০১৩০৯৯৭০৫৫৪ নম্বরে।
জমি কেনাবেচার ক্ষেত্রে ভবিষ্যৎ বিরোধ এড়াতে ক্রেতা-বিক্রেতা উভয় পক্ষকেই ভূমি অফিসের রেকর্ড, খতিয়ান, দাগ নম্বর, মালিকানার ধারাবাহিকতা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
মন্তব্য করুন