সোমবার (২৯ জুন) দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার চরমালিয়া গ্রামের নিজ বাড়ির পেছন থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে পারিবারিক কলহ ও পরকীয়াজনিত বিরোধের জেরে হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত হয়ে থাকতে পারে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, কয়েক দিন ধরে হারুন হাওলাদার রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ ছিলেন। স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে মোস্তফা মুলাদী থানায় অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। সোমবার সকালে স্থানীয়রা বাড়ির পেছনে একটি স্থানের মাটি আলগা এবং বাঁশের কঞ্চি দিয়ে ঢেকে রাখা দেখতে পেয়ে সন্দেহ করেন। পরে ওই স্থান খুঁড়ে একটি মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে মুলাদী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মাটি খুঁড়ে হারুন হাওলাদারের মরদেহ উদ্ধার করে।
ঘটনার পর সেলিনা বেগমের আচরণ সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তাকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তদন্তে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মুলাদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার সোহেল রানা বলেন, বাড়ির পেছন থেকে মাটিচাপা দেওয়া অবস্থায় হারুন হাওলাদারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
মন্তব্য করুন