মো. শিহাব আহমেদ, চরফ্যাশন: ভোলার চরফ্যাশনে টানা অতিবৃষ্টি ও কৃষিজমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বাজারে বেড়েছে বেশ কয়েকটি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম। সরবরাহ কমে যাওয়ায় বাড়তি খরচের চাপ পড়েছে সাধারণ ক্রেতাদের ওপর।
বাজার ঘুরে দেখা যায়, বর্তমানে প্রতি কেজি আলু ২৫ টাকা, লাউ প্রতিটি ৫০ টাকা, করলা ৫০-৬০ টাকা এবং শসা ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে কিছুটা কমেছে পেঁয়াজ ও দেশি রসুনের দাম। প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৪০ টাকা এবং দেশি রসুন ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে মুরগির বাজারেও দাম বেড়েছে। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৬০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে মাছের বাজারে তুলনামূলক স্বস্তি রয়েছে। পাঙ্গাশ মাছ ১৬০ থেকে ১৭০ টাকা এবং তেলাপিয়া মাছ ১৮০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
রবিউল নামে এক ক্রেতা বলেন, “আগে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম আমাদের নাগালের মধ্যে ছিল। এখন অনেক পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় সংসারের খরচ চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে।”
ব্যবসায়ীরা জানান, টানা বৃষ্টিতে চরফ্যাশনের বিভিন্ন এলাকার কৃষিজমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বাজারে সবজি ও অন্যান্য কৃষিপণ্যের সরবরাহ কমেছে। এরই প্রভাব পড়েছে বাজারদরে।
সাধারণ মানুষের দাবি, বাজারে নিয়মিত তদারকি বাড়ানোর পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করা হলে সরবরাহ স্বাভাবিক হবে এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামও নিয়ন্ত্রণে আসবে।
মন্তব্য করুন