ইব্রাহিম
আকতার আকাশ: ভোলার তজুমদ্দিনে এক নারী ও
এক পুরুষকে ‘আপত্তিকর অবস্থায়’ আটকের
দাবি তুলে প্রকাশ্যে জুতার মালা পরিয়ে অপদস্ত করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র
করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
সোমবার
(৬ জুলাই) সকালে উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের
সোনাপুর সরকারি আবাসনে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়
সূত্রে জানা যায়, আবাসনের বাসিন্দা নুরে আলম ও তাসলিমা বেগমকে
আপত্তিকর অবস্থায় আটকের দাবি করেন স্থানীয় কয়েকজন যুবক। পরে তাদের গলায় জুতার মালা পরিয়ে জনসমক্ষে হেনস্তা করা হয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এমন কাজ করবেন না—এই মর্মে তওবা
করিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
তবে
ঘটনার বিষয়ে ভিন্ন দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা। তাদের অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে ফাঁসিয়ে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করা হয়েছে। কোনো ধরনের অপরাধ না করলেও জনসমক্ষে
জুতার মালা পরিয়ে সম্মানহানি করা হয়েছে বলে দাবি তাদের। এ ঘটনার সুষ্ঠু
তদন্ত এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
এদিকে,
স্থানীয়দের একটি অংশের মতে, কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী
বাহিনীর কাছে জানানো উচিত ছিল। জনসমক্ষে কাউকে অপদস্ত করা, জুতার মালা পরানো বা শাস্তি দেওয়া
আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার শামিল।
তাদের
ভাষ্য, কোনো ব্যক্তি অপরাধ করেছেন কি না, তা
নির্ধারণ এবং বিচার করার দায়িত্ব আদালতের। তাই এ ধরনের ঘটনায়
নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
এ
বিষয়ে তজুমদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান চ্যানেল ভোলাকে জানান, এ ঘটনার একটি
ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তিনি দেখেছেন। এরপর পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে।ইব্রাহিম আকতার আকাশ: ভোলার তজুমদ্দিনে এক নারী ও
এক পুরুষকে ‘আপত্তিকর অবস্থায়’ আটকের
দাবি তুলে প্রকাশ্যে জুতার মালা পরিয়ে অপদস্ত করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র
করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
সোমবার
(৬ জুলাই) সকালে উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের
সোনাপুর সরকারি আবাসনে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়
সূত্রে জানা যায়, আবাসনের বাসিন্দা নুরে আলম ও তাসলিমা বেগমকে
আপত্তিকর অবস্থায় আটকের দাবি করেন স্থানীয় কয়েকজন যুবক। পরে তাদের গলায় জুতার মালা পরিয়ে জনসমক্ষে হেনস্তা করা হয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এমন কাজ করবেন না—এই মর্মে তওবা
করিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
তবে
ঘটনার বিষয়ে ভিন্ন দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা। তাদের অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে ফাঁসিয়ে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করা হয়েছে। কোনো ধরনের অপরাধ না করলেও জনসমক্ষে
জুতার মালা পরিয়ে সম্মানহানি করা হয়েছে বলে দাবি তাদের। এ ঘটনার সুষ্ঠু
তদন্ত এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
এদিকে,
স্থানীয়দের একটি অংশের মতে, কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী
বাহিনীর কাছে জানানো উচিত ছিল। জনসমক্ষে কাউকে অপদস্ত করা, জুতার মালা পরানো বা শাস্তি দেওয়া
আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার শামিল।
তাদের
ভাষ্য, কোনো ব্যক্তি অপরাধ করেছেন কি না, তা
নির্ধারণ এবং বিচার করার দায়িত্ব আদালতের। তাই এ ধরনের ঘটনায়
নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
এ
বিষয়ে তজুমদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান চ্যানেল ভোলাকে জানান, এ ঘটনার একটি
ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তিনি দেখেছেন। এরপর পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে।