মনপুরা প্রতিনিধি: ভোলার মনপুরায় মো. শরিফ নামে এক ইউপি সদস্যকে লোহার রড ও এসএস পাইপ দিয়ে মারধরের অভিযোগ উঠেছে ছয়জনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তার দুই হাত ও পায়ে হাড়ভাঙা জখম হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। একই ঘটনায় দুটি মহিষ নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
শনিবার (৩ অক্টোবর) সকাল ৬টার দিকে উপজেলার কলাতলি ইউনিয়নের কাজিরচর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় আহত ইউপি সদস্যের ভাই মো. রুবেল বাদী হয়ে ছয়জনের নাম উল্লেখ করে মনপুরা থানায় এজাহার দায়ের করেন। অভিযুক্তরা হলেন—মো. ছালাউদ্দিন, মিরাজ বেপারী, আনোয়ার, হাসান, সজিব ও জুয়েল। তারা সবাই কাজিরচর এলাকার বাসিন্দা বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, মহিষ পালন ও ঘাসের জমি লিজ নেওয়াকে কেন্দ্র করে ইউপি সদস্য শরিফের সঙ্গে অভিযুক্তদের বিরোধ চলছিল। ঘটনার দিন সকালে অভিযুক্তরা মহিষের কিল্লায় গিয়ে মহিষ নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে শরিফ বাধা দেন। এ সময় তাকে রড ও পাইপ দিয়ে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মনপুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার সরকারি পঙ্গু হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
এজাহারে আরও বলা হয়েছে, ঘটনার সময় ১০টি মহিষের মধ্যে দুটি নিয়ে যায় অভিযুক্তদের দুজন। মহিষ দুটির আনুমানিক মূল্য ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা বলে দাবি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় পুলিশ দুইজনকে আটক করেছে। রোববার (৪ অক্টোবর) তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মনপুরা থানার ওসি মাজহারুল ইসলাম বলেন, “এ ঘটনায় থানায় এজাহার হয়েছে। দুইজনকে আটক করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগের বিষয়গুলো তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্ত অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
তবে এজাহারে অভিযুক্ত অন্যদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা ও ঘটনায় প্রত্যেকের সংশ্লিষ্টতা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হবে।
মন্তব্য করুন