রাঙ্গামাটির
কাপ্তাইয়ে অবস্থিত কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের (কপাবিকে) স্পিলওয়ের
১৬টি জলকপাট টানা ১০৭ ঘণ্টা ৪০ মিনিট খোলা রাখার পর তা বন্ধ করে দিয়েছে
কর্তৃপক্ষ।
কাপ্তাই লেকের পানির উচ্চতা নিরাপদ সীমানায় নেমে আসায় বুধবার (২২ জুলাই) রাত ১১টায় সবগুলো জলকপাট পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হয়।
কর্ণফুলী
পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান বিষয়টি নিশ্চিত
করে জানান, টানা চার দিন স্পিলওয়ের ১৬টি জলকপাট দিয়ে নিরবচ্ছিন্ন পানি
নিষ্কাশন হওয়ায় লেকের পানির স্তর স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এসেছে। বুধবার
রাত ১১টায় লেকের পানির উচ্চতা রেকর্ড করা হয় ১০৩.২৬ ফুট মিন সি লেভেল
(এমএসএল)। জলকপাট বন্ধ হলেও বর্তমানে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পাঁচটি উৎপাদন
ইউনিট থেকেই গড়ে ২২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন অব্যাহত রয়েছে।
এর
আগে কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা ১০৪.০৮ ফুট এমএসএলে পৌঁছে বিপজ্জনক রূপ
নিলে গত শনিবার (১৮ জুলাই) সকাল ১১টা ২০ মিনিটে স্পিলওয়ের ১৬টি জলকপাট ৬
ইঞ্চি করে খুলে দেয়া হয়েছিল।
এর
ফলে টানা ১০৭ ঘণ্টা ৪০ মিনিট ধরে প্রতি সেকেন্ডে গড়ে প্রায় ৯ হাজার
কিউসেক পানি কাপ্তাই লেক থেকে কর্ণফুলী নদীতে নিষ্কাশিত হয়। এতে পানির
উচ্চতা সহনীয় পর্যায়ে নেমে আসায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জলকপাটগুলো
বন্ধের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ।