আজকের Channel Bhola সংবাদ
Channelbhola
প্রকাশ : Jul 26, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

ফুটপাতে খাবার বিক্রি করলেও নিতে হবে নিবন্ধন

 

Brother IT Digital

বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ) ফুটপাতের ছোট দোকান থেকে শুরু করে বড় সুপারশপ পর্যন্ত সব ধরনের খাদ্যব্যবসার জন্য নিবন্ধন ও লাইসেন্স নেওয়া বাধ্যতামূলক করে ‘নিরাপদ খাদ্য প্রবিধানমালা, ২০২৬’ জারি করেছে।

খাদ্যে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা আনার লক্ষ্য নিয়ে এটি তৈরি করা হলেও, ব্যবসাকে মূলত দুটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। সাধারণ রেস্তোরাঁ, বেকারি, জুস বার, ক্যাটারিং, মিষ্টির দোকান এবং ফুটপাতের ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতাদের জন্য ‘নিবন্ধন’ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

অন্যদিকে শিশুখাদ্য, পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য, জৈবপণ্য, কোল্ড স্টোরেজ এবং ভোজ্যতেলের পাইকারি ও আমদানির ক্ষেত্রে কঠোর শর্তযুক্ত ‘লাইসেন্স’ নিতে হবে।

এই লাইসেন্স ও নিবন্ধনের মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে তিন বছর। নিবন্ধনের ফি ১ হাজার টাকা হলেও লাইসেন্স ফি দোকানের আয়তনের ওপর ভিত্তি করে ১ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

এছাড়া প্রতিটি খাদ্যপণ্যের প্যাকেজিং, বিল বা প্যাডে লাইসেন্স নম্বর বা কিউআর কোড প্রদর্শন করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

এই নিয়ম অমান্য করে ব্যবসা পরিচালনা করলে কারাদণ্ড ও লাখ লাখ টাকা জরিমানার মতো কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।

তবে এই নতুন নিয়মকে কেন্দ্র করে ব্যবসায়ীদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের মার্কেটিং ডিরেক্টর কামরুজ্জামান কামাল এটিকে ‘১৮ নম্বর লাইসেন্সের বোঝা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

তিনি জানান, বর্তমানে খাদ্য ব্যবসা পরিচালনা করতে এমনিতেই ১৭টি সরকারি দপ্তর থেকে অনুমতি নিতে হয়। এর সঙ্গে নতুন প্রবিধান যুক্ত হওয়ায় পণ্যের মান না বেড়ে কেবল ব্যবসার পরিচালন ব্যয় ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতাই বাড়বে।

পাশাপাশি বিএফএসএর এই নিয়ম সঠিকভাবে বাস্তবায়নের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

একইভাবে মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়নের অনিশ্চয়তা ও ভোক্তাদের ওপর চাপের বিষয়টি তুলে ধরেছেন কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি এ এইচ এম সফিকুজ্জামান।

তার মতে, ফুটপাত থেকে শুরু করে সুপারশপ পর্যন্ত বিশাল খাতকে একার পক্ষে তদারকি করার মতো পর্যাপ্ত জনবল বিএফএসএর নেই।

লাইসেন্স ও নিবন্ধনের নামে ব্যবসায়ীদের খরচ বেড়ে গেলে দিনশেষে সেই আর্থিক চাপ সাধারণ ভোক্তার ওপরই গিয়ে পড়বে, যা চলমান মূল্যস্ফীতিতে নতুন সংকট তৈরি করবে।

এসব উদ্বেগের জবাবে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সদস্য আনোয়ারুল ইসলাম সরকার আশ্বস্ত করেছেন যে, তারা শুরুতেই ছোট বা ফুটপাতের বিক্রেতাদের ওপর চাপ দেবেন না। তাদের প্রাথমিক নজর থাকবে বড় শিল্পভিত্তিক খাদ্য উৎপাদনের দিকে।

বিএসটিআই থেকে অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানগুলো তাৎক্ষণিক কোনো অসুবিধায় পড়বে না জানালেও খাদ্যমান নিশ্চিতে তাদের স্বাধীন তদারকি অব্যাহত থাকবে।                     


 

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বোরহানউদ্দিনে জাতীয় কবি নজরুলের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন

1

আগামী ৫০ বছরেও আ.লীগ ফেরার সম্ভাবনা ক্ষীণ: বিএনপির এমপি

2

আর্জেন্টিনার জয়ে মাথা ন্যাড়া করলেন ব্রাজিল সমর্থক

3

সারা দেশে দুইদিন এলপিজি বিক্রি বন্ধ ঘোষণা

4

১৪ লাখ টাকার স্বর্ণ চুরি, সিসিটিভিতে ধরা পড়লো ইঁদুর

5

পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে পর্যালোচনা

6

চরফ্যাশনে পানিতে ডুবে প্রাণ গেল নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীর

7

চরফ্যাশনে ক্যান্সার রোগীর চিকিৎসায় প্রবাসীদের সহায়তার হাত

8

ইয়ামালের অদ্ভুত ফ্যাশনের রহস্য কী!

9

আমদানিতে ঝুঁকি কমাতে হেজিং সুবিধা চালু করল বাংলাদেশ ব্যাংক

10

সংসদে আরও ৫টি স্থায়ী কমিটি গঠন, কে কোন দায়িত্বে?

11

মক্কার কোরআন প্রতিযোগিতায় পুরস্কারজয়ী ৪ হাফেজ দেশে ফিরেছেন

12

তমার পেশা নিয়ে জয়ের আপত্তি, ক্ষুব্ধ তমা মির্জা

13

সেই রাতে কী ঘটেছিল, চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন ঘাতক সুমন

14

রোমে বাংলাদেশ বিমানে তেলাপোকা ও ছারপোকার উপদ্রব

15

রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিসেবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘জনপ্রিয়তার শ

16

অর্থবছর পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত মন্ত্রিসভায় অনুমোদন

17

ইউটিউবে নতুন নিয়মে হবে ভিউ গণনা, ২৪ আগস্ট থেকে কার্যকর

18

জ্বর কমলেই নয়, সম্পূর্ণ সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত ডেঙ্গু রোগীকে

19

আলোচিত শিশু আছিয়া হত্যা মামলার রায় পিছিয়ে ৩১ আগস্ট

20