চ্যানেল ভোলা: মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা হস্তান্তর না করলে বিক্রেতাকে বিভিন্ন আর্থিক ও আইনি জটিলতার মুখোমুখি হতে হতে পারে বলে সতর্ক করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।
বুধবার (২৪ জুন) বিআরটিএর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মোটরযান বিক্রির পর অনেক ক্ষেত্রে নতুন ক্রেতারা মালিকানা পরিবর্তনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করেই যানবাহন ব্যবহার করছেন। ফলে যানবাহনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর, সারচার্জ এবং অন্যান্য আর্থিক দায় আগের মালিকের নামেই বহাল থাকছে।
বিআরটিএ জানায়, সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ২১ ধারা অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন করা বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেকেই এ নিয়ম অনুসরণ না করায় অগ্রিম আয়কর, বিশেষ ক্ষেত্রে ১৫০ শতাংশ পর্যন্ত অতিরিক্ত অগ্রিম আয়কর এবং পরিবেশ সারচার্জের দায়ভার পুরোনো মালিকের ওপর বর্তাচ্ছে।
এ সমস্যা সমাধানে মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া সহজ করেছে বিআরটিএ।
সংস্থাটি জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের জন্য প্রথমে বিআরটিএর অনলাইন প্ল্যাটফর্মে আবেদন করতে হবে। আবেদন জমা দেওয়ার পর বিক্রেতার উপস্থিতিতে হ্যান্ডহেল্ড ডিভাইসের মাধ্যমে বায়োমেট্রিক যাচাই (আঙুলের ছাপ) করা হবে। যাচাই সম্পন্ন হওয়ার পর একই দিন মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম শেষ করা হচ্ছে।
একই সঙ্গে নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য বায়োমেট্রিক তথ্য প্রদান করতে পারবেন।
বিআরটিএ আরও জানিয়েছে, মোটরযান বিক্রির পর নির্ধারিত নিয়মে মালিকানা পরিবর্তন না করলে ভবিষ্যতে নানা ধরনের আইনি জটিলতা তৈরি হতে পারে। আইন অনুযায়ী মালিকানা পরিবর্তনের বাধ্যবাধকতা লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ অবস্থায় মোটরযান বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা হস্তান্তর সম্পন্ন করার জন্য সকল যানবাহন মালিকের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বিআরটিএ।
মন্তব্য করুন