
মো:মেহেদী হাসান, মনপুরা: ভোলার মনপুরা উপজেলার ২ নম্বর হাজিরহাট
ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে
এক দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী (অন্ধ) ব্যক্তির পরিবার এখনো ঝড়-বৃষ্টি আর
মৃত্যুভয়ের মধ্যেই দিন কাটাচ্ছে। স্ত্রী সাহেরা বেগম ও তিনটি ছোট
সন্তানকে নিয়ে তিনি সরকারি কলোনির একটি জরাজীর্ণ ঘরে বসবাস করছেন, যা দীর্ঘদিন ধরেই
বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
প্রায় দুই মাস আগে এই অসহায় পরিবারের
জন্য সমাজের বিত্তবান ও হৃদয়বান মানুষের
সহযোগিতা কামনা করে একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর কয়েকজন সহৃদয়
ব্যক্তি এগিয়ে আসেন। তাদের সহযোগিতায় প্রায় ১৩ হাজার টাকা
সংগ্রহ করা সম্ভব হয়েছে।
সেই অর্থ দিয়ে নতুন একটি ছোট ঘরের নির্মাণকাজ শুরু হলেও অর্থসংকটের কারণে কাজ শেষ করা যায়নি। বর্তমানে কিছু টিন বসানোর পরই নির্মাণকাজ বন্ধ রয়েছে। ঘরের বেড়া, বাকি চালের টিন, প্রয়োজনীয় নির্মাণসামগ্রী এবং মিস্ত্রির মজুরির অর্থের অভাবে গত দুই মাস
ধরে ঘরটি অর্ধসমাপ্ত অবস্থায় পড়ে আছে।
এদিকে চলমান বর্ষা মৌসুমে প্রতিটি ঝড়-বৃষ্টির রাতে
পরিবারটিকে বাধ্য হয়ে পুরোনো ঝুঁকিপূর্ণ ঘরেই আশ্রয় নিতে হচ্ছে। বিশেষ করে তিনটি ছোট শিশুকে নিয়ে তাদের প্রতিটি রাত কাটছে আতঙ্ক আর অনিশ্চয়তার মধ্যে।
পরিবারটির সদস্যদের ভাষ্য, ঘরটি সম্পূর্ণ করতে মোট প্রায় ২২ হাজার টাকা
প্রয়োজন। এর মধ্যে ইতোমধ্যে
১৩ হাজার টাকা সংগ্রহ হলেও এখনো প্রায় ৮ হাজার টাকার
ঘাটতি রয়েছে।
স্থানীয় সচেতন মহল ও সমাজের বিত্তবান
মানুষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে, সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়ে পরিবারটির জন্য একটি নিরাপদ বসতঘর নির্মাণে এগিয়ে আসার। সবার সম্মিলিত সহযোগিতায় এই বর্ষার মধ্যেই
তিনটি শিশুর মাথার ওপর একটি নিরাপদ ছাদ নিশ্চিত করা সম্ভব বলে আশাবাদী পরিবারটি।
বিকাশ নাম্বার -01725378462