
চরফ্যাশন প্রতিনিধি: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী গত ৩০ সেপ্টেম্বর ছিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক বদলির শেষ সময়। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বদলি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারেনি ভোলার চরফ্যাশন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস।
চরফ্যাশন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের অফিস সহকারী মো. আবদুস সাত্তার জানান, বদলির জন্য অর্ধশতাধিক আবেদন জমা পড়েছে। আবেদনগুলো যথাযথভাবে লিপিবদ্ধ করে বদলি কমিটির কাছে উপস্থাপন করা হলেও কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি কমিটি।
চরফ্যাশন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আফরোজকে সভাপতি করে বদলি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন স্থানীয় বিএনপি নেতা কাজী মঞ্জুর, প্রিন্স মহাজন ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মীর এ কে এম আবুল খায়ের। তিনি নিজে কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
তিনি বলেন, বুধবার বিকেল ৪টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে বদলি সংক্রান্ত সভা আহ্বান করা হয়। তবে সভায় কমিটির সদস্য প্রিন্স মহাজন ঢাকায় অবস্থান করায় উপস্থিত থাকতে পারেননি। সভায় কোনো সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়নি।
নির্ধারিত সময় ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বদলি কার্যক্রম শেষ করতে না পারার কারণ জানতে চাইলে শিক্ষা কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, অতিরিক্ত সুপারিশ থাকায় তারা কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি।
এদিকে, ১ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বদলি সংক্রান্ত কোনো আদেশ প্রকাশ করেনি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস।
বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, গত ৩০ সেপ্টেম্বর ও ১ অক্টোবর পর্যন্ত বদলি সংক্রান্ত কোনো চিঠি তিনি পাননি।
তিনি আরও বলেন, নানা সমস্যার কারণে চরফ্যাশন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস বদলির আদেশ দিতে পারেনি। যেহেতু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বদলি কার্যক্রম সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি, তাই এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা চাওয়া হবে।