
ঘটনার সময় ঢাকার বাইরে ছিলেন কনটেন্ট নির্মাতা সালমান মুক্তাদির। স্টুডিওতে হামলার খবর পাওয়ার পর দ্রুত ঢাকায় ফিরে সরাসরি ঘটনাস্থলে যান তিনি।
সেখানে গিয়ে নিজের দীর্ঘদিনের কাজের জায়গার ক্ষতিগ্রস্ত চেহারা দেখেন। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভে এসে স্টুডিওর বর্তমান পরিস্থিতি ও ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি তুলে ধরেন।
শনিবার রাত ১০টার দিকে রাজধানীর ইসিবি চত্বরের নিউগ্রিনি প্রপার্টিজে সালমানের ‘ব্রাউনফিশ’ স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে।
প্রথম দিকে দলীয় পরিচয়ে চাঁদা চাওয়া এবং তাতে রাজি না হওয়ায় হামলার অভিযোগের কথা সামনে এলেও পরে সালমান নিজেই বিষয়টি নিয়ে ভিন্ন তথ্য দেন।
রোববার সকালে সাংবাদিকদের তিনি জানান, তাকে সরাসরি কেউ চাঁদা দাবি করেনি। পুলিশ ও অন্যদের কাছ থেকে তিনি এ বিষয়ে জানতে পেরেছেন।
স্টুডিওতে ঢুকে দেখা যায়, বিভিন্ন স্থানে ভাঙচুরের চিহ্ন। ভেঙে গেছে কাঁচের দরজা-জানালা, এলোমেলো হয়ে আছে আসবাব ও সোফা।
মেঝেতে পড়ে রয়েছে কাগজপত্র, ফোম ও বিভিন্ন সরঞ্জাম। বাদ্যযন্ত্রের পাশাপাশি স্টুডিওতে পাওয়া গেছে ইউটিউবের গোল্ডেন প্লে বাটনও।
ক্ষয়ক্ষতির আর্থিক পরিমাণ এখনই প্রকাশ করতে চাননি সালমান। তার ভাষ্য, স্টুডিওতে ৩০ থেকে ৪০ জন ক্লায়েন্টের কাজের সরঞ্জাম ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ছিল।
সেসবের ক্ষয়ক্ষতি হিসাব করলে মোট ক্ষতির পরিমাণ বড় হতে পারে। তবে আইনি বিষয়টি পরিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত নির্দিষ্ট অঙ্ক জানাবেন না বলে জানান তিনি।
ঘটনার পরও কাজ থামিয়ে দেওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই সালমানের। স্টুডিও ক্ষতিগ্রস্ত হলেও সৃজনশীল কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় জানিয়েছেন তিনি।