
নেওয়াজ শরীফ: আন্তর্জাতিক যুব দিবস ২০২৬ উপলক্ষে ভোলায় বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু-কিশোরদের নিয়ে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে পরিবর্তন যুব উন্নয়ন সংস্থা।
শনিবার (১৫ আগস্ট) চর নোয়াবাদ চৌমনী বাজার সংলগ্ন ভোলা’স চিল্ড্রেন স্পেশাল স্কুল বাংলাদেশে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন ও আত্মনির্ভরশীল ভবিষ্যৎ গঠনে পরিবর্তন যুব উন্নয়ন সংস্থা কাজ করে যাচ্ছে। শিক্ষা ও কারিগরি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের জন্য নতুন সম্ভাবনার পথ তৈরি, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং সমাজের মূলধারায় সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবর্তন যুব উন্নয়ন সংস্থার উপদেষ্টা মো. আবু তাহের। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপদেষ্টা মো. আনোয়ার হোসেন ও অ্যাডভোকেট হাসান শরীফ। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মো. জাকির হোসেন ও প্রতিষ্ঠানের পরিচালক মো. ইসমাইল।
এ সময় পরিবর্তন যুব উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক নেওয়াজ শরীফ, সহ-সভাপতি মো. ইউসুফ আলী, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন (রনি), সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রিয়াদ, অর্থ সম্পাদক মো. আব্দুস সাত্তার, সহ-প্রচার সম্পাদক মো. নুর উদ্দিন, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা মৌসুমী সুলতানা প্রেমা, সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক মো. রাসেল, সদস্য ফারিয়া আক্তারসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথি মো. আবু তাহের বলেন, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুরা সমাজের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাদের প্রতিভা ও সৃজনশীলতা বিকাশের সুযোগ তৈরি করা সবার দায়িত্ব। চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার মতো আয়োজন শিশুদের আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর পাশাপাশি প্রতিভা প্রকাশের সুযোগ করে দেয় এবং সমাজে তাদের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
অতিথিরা বলেন, প্রতিটি শিশুর মধ্যেই সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের প্রতিভা বিকাশ এবং তাদের সমাজের মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। আন্তর্জাতিক যুব দিবস উপলক্ষে এ আয়োজন তাদের পাশে থাকার একটি ছোট্ট প্রয়াস। ভবিষ্যতেও শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, মানবিক সহায়তা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে তাদের জন্য আরও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
পরিবর্তন যুব উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক নেওয়াজ শরীফ বলেন, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের প্রতি সহানুভূতি নয়, প্রয়োজন সম্মান, সুযোগ ও সমান অধিকার। তাদের মেধা ও সক্ষমতা বিকাশের সুযোগ করে দিতে পারলে তারাও সমাজ ও দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারবে।
অনুষ্ঠান শেষে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শিশু-কিশোরদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এ আয়োজন শিশু-কিশোরদের মাঝে আনন্দ, উৎসাহ ও আত্মবিশ্বাস সৃষ্টি করে। আয়োজকরা ভবিষ্যতেও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের নিয়ে শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তিমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।